পূর্বের ইভেন্ট সমূহ

'ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প'- প্রজেক্ট সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

গত ৭ই অগাস্ট মহাদেবপুরের চাঁন্দাস ইউনিয়নে মহাদেবপুর প্রতিবন্ধী সমবায় সমিতির প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয় ... সেই অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধি সমবায় সমিতি ও শুনতে কি পাও? সদস্য ছাড়াও স্থানীয় চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন... ট্রেইনার ও কিছু জটিলতা থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে কাজ শুরু করা না গেলেও গত ১৫তারিখ থেকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে... যেখানে প্রাওথমিকভাবে ৮জন প্রতিবন্ধী মানুষ ট্রেনিং পাবে... পরবর্তিতে আরো শিফট বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। তাদের ট্রেনিং দিচ্ছেন ব্র্যাক থেকে ট্রেনিং পাওয়া রাজ্জাক নামের একজন ট্রেইনার...

প্রজেক্টঃ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

এইবারের শুনতে কি পাও? এর আয়োজন ছিল ''ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প'' । যার একটি প্রজেক্ট ছিল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও হেয়ারিং এইড বিতরণ। গত সেপ্টম্বরের ১৪তারিখ শেরপুরের ঝিনাইগাথিতে হয়ে যায় মেডিকেল ক্যাম্প। প্রথমত প্রায় ৮০০-৯০০ টোকেন দিলেও আমরা প্রায় ৫০০ মানুষকে সার্ভিস দিতে পেরেছিলাম ( আন্তরিকভাবে দুঃখিত এর জন্য) । একজন ENT specialist ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ঐদিন রোগী দেখেন।

প্রজেক্টঃহেয়ারিং এইড বিতরণ

এইবারের শুনতে কি পাও? এর আয়োজন ছিল ''ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প'' । যার একটি প্রজেক্ট ছিল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও হেয়ারিং এইড বিতরণ। গত ৫ই অক্টোবর ৯জন শ্রবণ প্রতিবন্ধীর কানের মোল্ডের মাপ নিয়ে আসা হয় এবং ১৯তারিখ তাদের মাঝে ৭জনকে STARKEY- ব্র্যান্ডের হেয়ারিং এইড দেওয়া হয়। পরবর্তিতে আরো তিঞ্জনকে দেয়া হয় ...

প্রজেক্ট - শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

এনতুন করে কোন কিছু শুরু করতে অনেক বেশি সাহসের প্রয়োজন। আর প্রয়োজন ধৈর্যের। সাভারের এই ব্যাংক টাউন এলাকায় গার্মেন্টস কর্মী, শ্রমজীবি মানুষের বাস। যাদের ছেলেমেয়েরা অনেকেই থাকে অভুক্ত। আর এই বাচ্চাদের নিয়েই বিন্যামূল্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে কিছু মানুষ। এই বাচ্চাদের অনেকেই আবার হোটেল বয়ের কাজ করে। নতুনভাবে শুরু করায় অনেক কিছুই তারা এখনও গুছিয়ে উঠতে পারেনি। আর তাই তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি আমরা শুনতে কি পাও?- এর সদস্যরা। আজ সেই স্কুলে শুনতে কি পাও? এর পক্ষ থেকে দিয়ে আসা হল- ছোট বাংলা, ইংরেজী ও অংক খাতা সর্বমোট- ১৮০টি বড় ডিমাই সাইজের খাতা - ২১০টি পেন্সিল, রাবার, শাপনার, স্কেল- ১০০টি কলম- ৩৫টা আর ছোটদের আদর্শলিপি- ৪০টি বই। তারা আরও এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশাই রইল... :)

পথশিশুদের মেডিকেল ক্যাম্প- ১৬-১০-২০১৫

ছোট্ট দেহে কত আজব আজব সমস্যা তা দেখে বোঝা যায় না। যাবেই বা কি করে? তাদের তো দুই বেলার খাবার নিয়েই সমস্যা সেখানে মেডিকেল চেকআপ কিভাবে সম্ভব? তাই আমাদের ভাই-বোনগুলার জন্য গত শুক্রবার সাভার, আগারগাও, হাতিরহঝিল, মোহম্মদপুরের চারটি পথশিশুদের স্কুলে স্যার সল্লিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের কিছু ভাইয়া-আপুর সহযোগিতায় হয়ে গেল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও মেডিসিন বিতরণ...

প্রজেক্ট আম উৎসব

বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনেকেই পতাকা কিনেন পছন্দের দলের। সেই পতাকা বাসায় লাগান। আর এই পতাকার টাকা দিয়েই হয়েছিল ২০১৪সালে আমাদের আম উৎসব। না বেশি না ঢাকার ৪টা পয়েন্টে দিয়েছিলাম আমরা। সদরঘাট, কমলাপুর, শাহাবাগ আর মোহাম্মদপুরের ৪টি স্কুলে। দিতে পেরেছিলাম প্রায় ৪৫০জন শিশুকে আম খাওয়ার স্বাদ

একদিন স্বপ্নের দিন, একদিন মা-বাবাদের দিন

' চুল, এই দেহি চশমা। দাড়ি, পাঞ্জাবী। বাবা তুমি কে? ; দেখতে আসছি আপনাদের। বাবা বুকে আসো।চোখে দেখি নাতো!!" এক বৃদ্ধ অসুস্থ অন্ধবাবার আকুতি দেখে আমি আসলেই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম... বোধয় অনেক বড় বাস্তবতার সম্মুখীন হয়ে আসলাম আজ। 'কষ্ট একটাই, ছেলেটারে মানুষ করাইলাম, চাকরি হইলো। মেয়েদের আমার নামের উপর দ্যা বিয়া হইয়া গেল কিন্তু কেউ দেখে না...' ' আমার বোনরা অনেক বড়লোক, এমরিকা থাকে। তাই রাইখা গেসে এখানে রোজার মাসটার লাইগাই' 'কপাল খারাপ আমার স্বামী ব্লাড ক্যান্সারে মারা গেসে। তিনডা মাইয়া, কোন পোলা নাই। তাই আইজ এখানে। তুমরা আইলে ভালা লাগে।" 'ঢাকার মাইসের এত টেকা? গাড়ি ভইরা ভইরা আমগোরে দেখতে আইয়া পরে? দোয়া করি আরো টাকা হোক আসুক দেখতে। ; খালি টেকা হইলেই চলে না। নাতিরা দেখতে আইতো না?' ' হাটতে পারি নাতো! -চলেন হাটি পইরা গেলে? -আমি আসি না, ধইরা রাখসি তো।আপনি তো আমার থেকেও ভাল হাটেন" অস্থির একটা হাসি। এই ছিল আজকের অভিজ্ঞতা। হয়ত কয়েক বছর পর এমন আমার সাথেও হবে, কিন্তু তখন চাব নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের সাথে থাকতে। ধন্যবাদ Azad ভাইকে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, ধন্যবাদ 'শুনতে কি পাও?' (মানবিকতার তাগিদে, মানুষের পাশে) গ্রুপের প্রতিটি সদস্যকে। আর সেই মানুষদের যাদের সাহায্য আমরা পেয়েছি প্রতি মূহুর্তে।আর তাদের জন্যই আজ মা-বাবাদের জন্য ইফতার-রাতের খাবারের ব্যবস্থা করতে পেরেছিলাম আমরা।

মিশন শীতবস্ত্র (২০১৩): ছবির হাট

ছবির হাট.....!! আমার পছন্দের জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম.. দেখার মত কিছুই নেই হইতো; তবুও আড্ডা দেবার জন্য অসাধারন একটা জায়গা.. আর আড্ডা আমার কাছে এমন একটা জিনিস যে, এটা পেলে আর কিছুই লাগে না.. আজ ছবির হাটেই কাটালাম। কিন্তু, আজ ছবির হাটকে অন্য এক কারণে ভালো লাগলো। ওখানে পথশিশুদের একটা স্কুল আছে, নামঃ মজার স্কুল : পথশিশু আর আমরা কতিপয়। আজ ওই বাচ্চাগুলোর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমরা, শুনতে কি পাও ?। ছবির হাটকে আজ নতুন করে আবিষ্কার করলাম। ওই বাচ্চাগুলো এত দারুন কিভাবে হয়!! এত মিশুক। আসলে তাদের পথশিশু বলে অবহেলা করে বেশিরভাগ মানুষ। সাধারণ একটা শিশুর মত এরাও শিশু। এই বাচ্চাগুলো সামান্য একটু মমতা, একটু আদর, একটু ভালবাসা পেলে যে কতটা খুশি হয়; তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস হত না। তারাও আমাদের ভাই-বোন। আজ ওদের খুশি করতে পেরে আমার যে কত আনন্দ লাগছে তা বলে বোঝাতে পারব না!!

ডোনেট ব্লাড, সেইভ লাইফ!

ব্লাড নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন, অনেক প্ল্যান দেন। কিন্তু ফিল্ডে এর ঠিক কতটুকু বাস্তবায়ন হয়?? হ্যাঁ , আমরা চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি অনলাইন-অফলাইনের মাঝে সেতুবন্ধন স্থাপন করতে। আর এই উদ্দেশ্যেই আজ রাজউক কলেজে হয়ে গেল আমাদের এওয়ারনেস ক্যাম্পেইন... আশা করি আস্তে আস্তে পুরো বাংলাদেশের সব কলেজেই শুনতে কি পাও? ঘুরে আসবে। আর তৈরি করবে রক্তদানের সচেতনতা...। :)

প্রজেক্ট বন্যা

বেশি না , বন্যাক্রান্ত ১০৮টি পরিবারকে ত্রাণ দিতে পেরেছিলাম আমরা... চেষ্টা করেছি সাধ্যমত। প্রতি বস্থায় ছিলঃ চাল-৫কেজি ডাল-১/২কেজি তেল-২০০মিলি লবণ-১কেজি মুড়ি- ২৫০গ্রাম গুড়- ৫০০গ্রাম মোমবাতি- ৬টি ম্যাচ- দুই বক্স স্যালাইন- ৫পেকেট... ধন্যবাদ জানাতে চাই রাজউক কলেজের সেইসব শিক্ষার্থীদের(স্পেশালি-মুঈদ,প্লাবন,প্রিয়ন্তি,আসিফও তাদের সাথে থাকা অন্যান্যরা) যারা এই অসহায় মানুষগুলোর পাশে এগিয়ে এসেছিল, আর কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারকে। সেইসাথে শুধুমাত্র পেইজে পোস্ট দেখে যারা আমাদের অর্থ সহায়তা দিয়েছেন... আর অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের টিমের নাসিফ ও সুস্ময়কে। তারা না থাকলে এটা হত না...

ইফতার ও জামা বিতরণ

আপনাদের সাহায্য, অনুপ্রেরনা নিয়েই আমাদের প্রথম ইভেন্ট হাতিরঝিল ,পরিবাগ , উত্তরায়.... বাচ্চাগুলোর হাসি দেখুন...